♦||মর্নিং ওয়ার্কের ৮টি স্বাস্থ্য উপকারিতা জেনে নেয়া যাক||♦

0
2353

প্রতিদিন সকালের মর্নিং ওয়ার্কের সময় বিশুদ্ধ বাতাস ও সুন্দর পরিবেশ আপনার হৃৎপিণ্ড ও মনের কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। হাঁটার সময় হৃৎপিণ্ড শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে বিশুদ্ধ রক্ত সঞ্চালন করে। ফলে প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সুস্থ ও সচল থাকে এবং মানুষ দীর্ঘজীবী হয়।
.
♥স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়ঃ
সকালে প্রতিদিন কিছুক্ষণ করে হাঁটলে ফুসফুসে তাজা বাতাস প্রবেশ করার সুযোগ পায়। এই বাতাস থেকে অক্সিজেন সংগ্রহ করে হৃৎপিণ্ড রক্তকে বিশুদ্ধ করে এবং অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত মস্তিষ্কে সরবরাহ করে। ফলে মস্তিষ্ক সচল থাকে এবং স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়।
.
♥রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকেঃ
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে সকালে নিয়মিত হাঁটলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। নিয়মিত সকালে হাঁটলে রক্তের লোহিত কণিকাগুলো থেকে চর্বি ঝরে যায়। এছাড়াও হাঁটার সময় রক্তের ইন্সুলিন ও গ্লুকোজ ক্ষয় হয়। ফলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রিত থাকে।
.
♥ত্বক ভালো করেঃ
প্রতিদিন সকালে হাঁটলে প্রচুর পরিমাণে ঘাম হয়। ফলে ত্বকের লোমকূপ গুলো খুলে যায় এবং শরীরের দূষিত পদার্থগুলো ঘামের মাধ্যমে বের হয়ে যায়। ফলে ত্বক উজ্জ্বল ও লাবন্যময় দেখায়।
.
♥মেদ কমায়ঃ
নিয়মিত সকালে হাঁটলে মেদ ভুড়ির হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। হাঁটলে প্রচুর ক্যালরী ক্ষয় হয়। ফলে নিয়মিত কম ক্যালরীর খাবার খাওয়ার পাশাপাশি প্রতিদিন সকালে অন্তত ৩০ মিনিট করে হাটলে মেদ কমে এবং দেহের আকৃতি সুন্দর হয়।
.
♥দৃষ্টি শক্তি ভালো করেঃ
প্রতিদিন কম্পিউটারের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে আমাদের চোখের বারোটা বেজে যাচ্ছে। চোখকে কিছুটা আরাম দিতে এবং চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে প্রতিদিন সকালে হাঁটার বিকল্প নেই। গবেষণায় দেখা গেছে যে সকালে খালি পায়ে ঘাসের উপর হাঁটলে দৃষ্টিশক্তি ভালো থাকে।
.
♥মানসিক চাপ কমায়ঃ
প্রতিদিন হাঁটতে বেড়িয়ে সকালের সুন্দর স্নিগ্ধতা উপভোগ করতে কার না ভালো লাগে বলুন! প্রতিদিন সকালের সুন্দর পরিবেশ ও কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটি আপনার মন ভালো করে দিতে পারে নিমিষেই। প্রতিদিন সকালে কিছুক্ষণ হেটে আসলে সারাদিন কাজের উৎসাহ বাড়ে এবং মানসিক চাপ কমে যায়।
.
♥রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়ঃ
প্রতিদিন সকালে হাঁটলে শরীরের প্রতিটি কোষে বিশুদ্ধ রক্ত এবং অক্সিজেন পৌছে যায়। ফলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এবং সহজেই অসুখে পরার প্রবণতা কমে।
.
★||এছাড়াও সকাল বেলা হাঁটার জন্য আপনি যে উপকার পাবেন||★

হাঁটার উপকারিতা বলে শেষ করা যাবে না। স্বাস্থ্য গবেষণায় দেখা গেছেঃ-

১.হাঁটা রক্তচাপ কমায়।

২.হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।

৩.অতিরিক্ত মেদ কমায়।

৪.রক্তের সুগার কমায়।

৫.ওজন কমায় ও নিয়ন্ত্রণ করে।

৬.ব্লাড প্রেসার, কোলেস্টেরল, আন্থ্রাইটিস, ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রন করে।

৭.হার্টের সমস্যা,স্ট্রোক হবার ঝুঁকি কমায়।

৮.হাঁড় শক্ত করে।

৯.রক্ত চলাচল বৃদ্ধি করে।

১০.ফলে হার্ট ভালো থাকে, শরীরের সামগ্রিক শক্তি বা ফিটনেস বাড়ে।

১১.ক্যান্সার হবার সম্ভাবনা কমায়।

১২.মাসেলের শক্তি বাড়ায়।

১৩.হেলদি বিএম আই ধরে রাখে বা অর্জন করা যায়।

১৪.হেলদি ওয়েস্ট টু হিপ রেসিও ধরে রাখে বা অর্জন করা যায়।

১৫.মেটাবলিজম বাড়ায়।

১৬.শরীরের সমস্ত অঙ্গ প্রত্যঙ্গ ভালো থাকে।

১৭.তারুণ্য ধরে রাখে।

১৮.আয়ু বাড়ায়।

১৯.ব্রেইনের কার্যকারিতা বাড়ায়।

২০.ভালো ঘুম হয়।

২১.স্মরণ শক্তি বাড়ায়।

২২.মন প্রফুল্ল রাখে, মানসিক অবসাদ দূর করে ও মন ভালো করে।

২৩.মানসিক শক্তি বৃদ্ধি করে ও আত্মবিশ্বাস বাড়ায়।

২৪.ভাল কলেষ্টেরল এইচডিএল বাড়ায় আর মন্দ কলেষ্টেরল এলডিএল কমায়।

২৫.রক্ত নালীর দেয়ালে চর্বি জমতে দেয়না।

২৬.হাঁটলে টাইপ-২ ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভাবনা কমে।

২৭.ডায়াবেটিস হয়ে থাকলে তা নিয়ন্ত্রণে রাখে।

২৮.হাঁটার ফলে পেশীর শক্তি বাড়ে।

২৯.হাঁটা হৃদযন্ত্র ও ফুসফুসের কর্মক্ষমতা বাড়ায়।

৩০.শরীরের ওজন ঠিক থাকে আর শরীর থাকে ফিট।

Like
Like Love Haha Wow Sad Angry
10

পাঠকের মতামতঃ