ডায়েট ফ্যাক্টস ২

0
2128

♦ডায়েট চলাকালীন সবচেয়ে কঠিন সময় টা হচ্ছে নিজেকে ডায়েটের রাস্তায় উঠানো। কষ্ট করে একবার উঠতে পারলে আপনি বুঝে যাবেন আপনার শরীরকে কিভাবে বশে রাখতে পারবেন।

♦ডায়েট রাস্তায় পা পিছলে গেলে অর্থাৎ ফাঁকিবাজি শুরু করলে পরবর্তী তে সোজা হয়ে দাঁড়ানো অর্থাৎ আবার স্ট্রিক্টলি ডায়েট শুরু করা ভীষণ ভীষণ টাফ!!

♦ডায়েট চলাকালীন সময়ে আপনি অনেক বেশি দাওয়াত এবং ট্রিট পেতে থাকবেন। যেসব আগে পেতেন না। আসলে ভুল! আপনি আগেও পেতেন, কিন্তু তখন জিহ্বাকে প্রাধান্য দিতেন বলে এসব চোখেই পরতো না!!

♦দুনিয়ার সব একাকীত্ব ভর করবে যখন আপনি একা একা হাটতে বের হবেন। অথচ এই আপনি হয়ত একা অন্ধকার রুমে সারারাত জেগে কাটিয়ে দিতে পছন্দ করেন। অজুহাত দিতে চাইলে অনেক দেয়া যায়। তবে এই অজুহাত টা আপনাকে অনেক পিছিয়ে নিয়ে যেতে চাইবে ওজন কমানোর কাছ থেকে। আপনি শুরুটা শুরু করুন, হয়তবা পথে আপনার অনেক সহযোদ্ধা কে পাশে পেয়ে যেতেও পারেন!

♦ডায়েট শুরু করলে আপনি বুঝতে পারবেন আপনার মা কত কত তেল দিয়ে মাছ ভাজি করে!!! যেসব আগে আপনি চেটেপুটে খেতেন। ঠিক এমনি চায়ের কাপে দুই চামচ চিনি, গরুর চর্বি দিয়ে গরুর মাংস রান্না, কতশত মিষ্টি, তেলেভাজা খাবার, বৃষ্টির দিনে অমুক তমুক পাকোড়া ইত্যাদি ইত্যাদি!

♦আগে ভাত খাওয়ার পরিমাণ নির্ভর করত অন্যান্য রান্না কত মজা হইছে তার উপর। আর এখন মনে হবে মুরগীও আপনার চাইতে বেশি ভাত খায়। কিন্তু ফ্যাক্ট এটাই মুরগীর মত ঐ পরিমাণের ভাত টুকুই আপনার সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য এনাফ!

♦হাটার সময় বার বার মনে হবে ঘড়ি নষ্ট, মোবাইল এপ্স ফাউল! নাহ, সব ঠিক আছে। আপনাকেই হাটার সময়, গতি বাড়াতে হবে।

♦সবশেষে, এই গ্রুপে থেকেও আপনার ওজন তখনি বাড়বে যখন আপনি গ্রুপে অনিয়মিত হবেন। এই গ্রুপের এত এত মানুষের সুস্থ থাকার চেষ্ট, গল্প, প্রেরণা দেখে আপনি কখনওই অস্বাস্থ্যকর জীবনে ফিরে যেতে পারবেন না। শুধু দরকার আত্মবিশ্বাস, লেগে থাকার চেষ্টা, শক্ত মনোবল, আর নিজের প্রতি সৎ থাকা 🙂

#ওজন_কমবেই

Like
Like Love Haha Wow Sad Angry
225

পাঠকের মতামতঃ