#ডায়েট কি :
পুষ্টিবিদদের মতে, কোন ব্যাক্তি দ্বারা পরিমিত খাবার , সঠিক সময়ে খাওয়ার নামই ডায়েট। এই ডায়েট শব্ধটা আমরা স্বাস্থ্য এবং ওয়েট ম্যানেজমেন্ট এর ক্ষেত্রে ব্যাবহার করি। সংস্কৃতি এবং ব্যক্তি ভেদে খাবার আলাদা হয়। এটা পরিবেশগত কারনে হতে পারে।
কার্বোহাইড্রেট , প্রোটিন, ফ্যাট, ভিটামিন, মিনারেল এইসব মিলিয়েই পুরো নিউট্রিশিয়ান। যা আমাদের দৈনন্দিন চাহিদায় প্রয়োজনীয়।

#ডায়েট কেনো প্রয়োজনীয়ঃ
আমাদের শরীরের প্রয়োজনীয় পুস্টি ঘাটতি মেঠানোর জণ্যে ডায়েট দরকার। একটা সুস্থ জীবন গঠনের জন্যে যা অবশ্যই কার্যকরী। একটা জিনিস মনে রাখতে হবে, অধিক ওজন বা যথার্থ ওজনের চেয়ে কম ওজন কোনটাই সুস্থ জীবন নয়। এইসব হলো অপুস্টির লক্ষন। তাই মনে রাখতে হবে সুস্থতার জন্যে ডায়েট প্রয়োজন।

#হেলদি ডায়েট কিঃ
হেলদি ডায়েট হলো, যেখানে সব ধরনের খাবার থাকবে যা শরীরের জণ্যে প্রয়োজনীয়। যে খাবার আমাদের শরীরকে প্রয়োজন মতাবেক পুস্টি দিবে। হেলদি ডায়েট আমাদের অপুস্টি থেকে রক্ষা করে।

#বেলেন্সড ডায়েট কিঃ
বেলেন্স ডায়েট হলো, বডি ওয়েট অনুযায়ী সঠিক খাবার সঠিক পরিমানে খাওয়া।

#আনহেলদি ডায়েটঃ
আনহেলদি ডায়েট আমাদের শরীরে সটিক খাবার এবং সঠিক পুস্টি প্রদানে ব্যার্থ থাকে।এতে করে আমাদের ওজন বৃদ্ধি/হ্রাস পেতে পারে। হাই ব্লাড প্রেশার, হাই কোলেস্টেরল, ক্যান্সার, ডিপ্রেশান সহ অনেক রোগ হতে পারে আনহেলদি ডায়েটের কারনে।

#ম্যাক্রোনিউট্রিশিয়ান ও মাইক্রোনিউট্রিশিয়ান কি :
স্বাধারন হেলদি ডায়েট ম্যাক্রনিউট্রিশিয়ান ( কার্বস ৫০%, প্রোটিন ৩০%, হেলদি ফ্যাট ২০%) এবং মাইক্রোনিউট্রিশিয়ানের(ভিটামিন ও মিনারেল) সমন্বয়। যেহেতু হেলদি ডায়েট আমাদের শরীর প্রয়োজন অনুযায়ী পুস্টি দেয় তাই ডায়েট এ হেলদি ডায়েট করতে হয়। যাতে প্রয়োজনীয় পুস্টি আমাদের শরীরে আসে।

#এক্সারসাইজ + ডায়েট = হেলদি ওয়েট লস ম্যানেজমেন্ট।
শুধুমাত্র ডায়েট প্রোপার ওয়েট লস ম্যানেজমেন্ট হতে পারে না। এক্সারসাইজ এইক্ষত্রে একটা গুরত্বপুর্ন রোল প্লে করে। শুধুমাত্র ডায়েট করে ওয়েট লস হয় ঠিকয় তবে বডি ফ্যাট একটা বিশাল ফ্যাক্টর হয়ে দাড়ায়। তাছাড়া এক্সারসাইজ ছাড়া আমাদের মাসল এবং হারের ঘনত্ব কমে যায়। তাই ওয়েট লসের জন্যে ডায়েট এবং এক্সারসাইজ দুটাই দরকার হয়। অনেকে শুধুমাত্র ডায়েট করেই ওজন কমাতে চায় এইক্ষেত্রে ওয়েট লসের ব্যাপারটা লগ টার্ম হয়ে যায়। ওয়েট লস ধীরে হয়। তাই ফাস্ট ওয়েট লসের জণ্যে ডায়েটের সাথে এক্সারসাইজ করাটাও জরুরী।

#কীভাবে ওয়েট লস কাজ করেঃ
ওজন কমানোর প্রক্রিয়া সহজ যদিও অনেক ক্ষেত্রে এই ব্যাপারটিকে অনেকে কঠিন বানিয়ে ফেলে। এটি পুরোটাই এনার্জি ব্যালেন্সড উপরেই নির্ভর করে। বডি ওয়েট অনুযায়ী, ক্যালরি ইন্টেক এর তুলনাই যখন অনেক বেশি এনার্জি বার্ন করা হবে তখনই ওয়েট লস হবে। তাই ওয়েট লসের ক্ষেত্রে কম ক্যালরি ইন্টেক বা বেশি এনার্জি বার্ন করতে হবে। তাই ওজন কমাতে এইসবের সমন্বয় খুবই দরকার।

#কীভাবে শুরু করবেনঃ
ওয়েট লস বা গেইনের ক্ষেত্রে ডায়েট এবং এক্সারসাইজ খুবই প্রয়োজন। যদি লস করতে চান তো ক্যালরি কাট করতে হবে আর গেইন করতে চাইলে প্রয়জনের তুলনায় বেশি ক্যালরি ইন্টেক করতে হবে। তবে একটা ব্যপার মনে রাখতে হবে,
স্বাধারনত সপ্তাহে ১-২ পাউন্ড ওজন কমানো হেলদি হিসেবে ধরা হয়। এর বেশি বা কম হলে ওয়েট লস/গেইন এর লক্ষ্য হয়তো পূরণ হবেনা। একটা ব্যাপার মনে রাখতে হবে, প্রোপার হেলদি ডায়েটের সাথে কমপক্ষে ৩-৫ দিন এক্সারসাইজ চালিয়ে যেতে হবে। সপ্তাহে ৩৫০০ এনার্জি বার্ন করলেই ১ পাউন্ড ওয়েট লস হবে। কারন ১ পাউন্ড বডি ফ্যাট = ৩৫০০ ক্যালরি। তার মানে সপ্তাহে ১ পাউন্ড ওয়েট লস করতে চাইলে একদিনে সর্বোচ্চ ৫০০ ক্যালরি (এনার্জি) বার্ন করতে হবে। এর বেশি বার্ন করলে আরো বেশি ওয়েট লস হবে।
যায় হোক, আর হিসেব নয়। তাই আজকে থেকেই শুরু করা যেতে পারে। তো বসে আছেন কেন? শুরু করে দিন। ডায়েট + এক্সারসাইজ শুরু করতে কোন দিন ক্ষন লাগেনা। যেকোন মুহুর্তে থেকে শুরু করা যেতে পারে।

#শুভকামনা সবার জণ্যে।
#ইট ক্লিন #বি ফিট # বি স্মার্ট
#ডায়েট #এক্সারসাইজ

Like
Like Love Haha Wow Sad Angry
1

পাঠকের মতামতঃ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here