ক্র্যাশ ডায়েট, করব নাকি করব না!

0
2905

ডায়েট
ক্র্যাশ ডায়েট, করব নাকি করব না!
দিলরুবা শারমিন

কয়েক দিন পরই একটা উৎসব বা অনুষ্ঠান। অথচ ওজনটা একটু বেশিই লাগছে। কমাতে চাইছেন খুব দ্রুত তাই বেছে নিলেন একটা ক্র্যাশ ডায়েট, যা সাত দিন বা পনেরো দিনে ওজন কমিয়ে দেবে। তাতে কমেও গেল অনেকটা ওজন। কিন্তু খুব তাড়াহুড়ো করে ওজন কমানোর এই ডায়েট আসলে শরীরের জন্য কতটা উপকারী আর কতটা ক্ষতি করছে, সেটাও জেনে নিতে হবে আগে থেকেই।

ঢাকার বারডেম জেনারেল হাসপাতালের প্রধান পুষ্টিবিদ শামসুন্নাহার নাহিদ বলেন, ‘আপনি সাত দিন বা পনেরো দিনের একটা ডায়েট চার্ট দেখে বা তাদের দেওয়া পদ্ধতিতে ব্যায়াম করে ওজনটা কমিয়ে নিলেন। তাতে কিছুদিনের মধ্যেই আগের কমানো ওজন বেড়ে যায়। অনেক সময় দেখা যায় কয়েক দিনের মধ্যে ওজন কমানোতে অনেকেই আবার সেই পুরোনো ডায়েট চার্ট অনুসরণ করছেন। ভাবছেন, একবার যখন এতটা কমেছে, আবার করি আবার কমবে। এতে কিন্তু উপকার হচ্ছে না বরং শরীরে তৈরি হচ্ছে নানা উপাদানের অভাব। পুষ্টিহীনতা থেকে তৈরি হতে পারে মাথা ঘোরানো, বমি হওয়াসহ আরও নানা ধরনের অসুস্থতা।’

ক্র্যাশ ডায়েটে অনেকেই না খেয়ে থাকেন। খুব অল্প সময়ে ওজন কমানোর জন্য অনেক পরিশ্রমও করতে হয়। অতিরিক্ত না খেয়ে থাকা আর পরিশ্রমকে একধরনের নেতিবাচক কাজ হিসেবেই দেখেছেন শামসুন্নাহার নাহিদ। তিনি বলেন, ওজন কমানোর জন্য কেউ যখন হুট করে তার খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করে ফেলে, তখন তা শরীরে নানা ঘাটতি তৈরি করে। নানা ধরনের সমস্যা তৈরির এই ডায়েটের থেকে কেউ যদি নিয়মিত ব্যায়াম করে আর পরিমিত খাবার খায়, তাহলে কিন্তু এমনিতেই অনেকটা ওজন কমতে শুরু করবে।

তাই ওজন কমাতে ক্র্যাশ ডায়েট বা অতিরিক্ত দ্রুত সময় ওজন কমানোর কথা না ভেবে না কাজ না করে পরিমিত খাবার খেয়ে, ব্যায়াম করে আর ডিটক্স ওয়াটারের সাহায্যে ওজন কমানোই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

Like
Like Love Haha Wow Sad Angry
11

পাঠকের মতামতঃ