রমজান মাসে রোজা রাখার ব্যপারে বিভিন্ন রকমের স্টাডিতে এলিট এথলেটদের এথলেটিক পারফরমেন্স কমপেয়ার করা হয়েছে ।
যেখানে দেখা গেছে একটি রোজাদার গ্রুপ এর এথলেটগন এক্সারসাইজ করার সময় অবসাদ গ্রস্থ হচ্ছে ও তাদের সেলফ মোটিভেশন কমে গেছে , তাদের একচুয়াল পারফরমেন্স হ্রাস পাচ্ছে।

আর একটি গ্রুপ যারা রিক্রিয়েশনালি একটিভ বডিবিল্ডার তাদের বডি কম্পোজিসন এ কোন সিগনিফিকেন্ট পরিবর্তন হচ্ছেনা যখন ট্রেনিং এবং নিউট্রিসন মেনটেন করে তারা রোজা রাখছে।
একমাত্র গুরুত্ব পূর্ন ডিফারেন্স যেটা হয়েছে রোজাদার গ্রুপ এর সেটা হলো পানি কম খাওয়া ( water intake) (-১৩%) .. যেটা শরীরে পানিশুন্যতা বাড়িয়ে দিয়েছে। এটা থেকেই বোঝা যাচ্ছে যে আমাদের যথেস্ট পরিমানে পানি পান করতে হবে এবং শরীরে ফ্লুয়িড কতটা দরকারী feeding period এ..

রোজার সময়ে ( fasting period ) আমাদের মাসল লস হয় এবং স্ট্রেন্থ লস বেশী হয় অল্প সময় ধরে ট্রেনিং করলেও .. স্টাডি গুলো আমাদের দেখাচ্ছে যে যদি ২ সপ্তাহ ট্রেনিং বন্ধ ও রাখা হয় তাহলেও কোন মাসল, মাংসপেশি, স্ট্রেন্থ এর কোন উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয় না রামাদান পিরিয়ড এ ..

যতটুকু পরিমান লস হবে অল্প সময়ের ডিট্রেনিং পিরিয়ড এ ( ৪ সপ্তাহের কম ) তা প্রিভেনশন করা সম্ভব ১-২ টি মেনটেনেন্স ট্রেনিং প্রতি সপ্তাহে করার মাধ্যমে as maintaining muscle can be done with less training volume and frequency. [5 ,6]

আবার মাসল মেমরী একটি রিয়েল জিনিস, মানে হল মাসল রিগেইনিং এবং স্ট্রেনথ খুবই দ্রুত ঘটে ডিট্রেনিং এর পর ।

রমজান মাস একটি সুবিধাজনক মাস ফ্যাট লস করার জন্য। এটা সম্ভব হয় কম ক্যালরী নেয়ার মাধ্যমে এবং তারপর মেনটেনেন্স এর মাধ্যমে যখন যথেস্ট পরিমান প্রোটিন নেয়া হয় ( ~২.০g/kg of body weight) .২ টা বড় মিল ( সাহরী এবং ইফতার) এর সাথে হাই প্রোটিন স্ন্যাকস নিলে প্রতিদিনকার টার্গেট হিট করার জন্য তা যথেস্ট ।
আশা করছি এটা আপনাদের সাহায্য করবে যারা ট্রেনিং এবং নিউট্রিশন নিয়ে অনেক কনসার্ন রমজানের সময় ।

 

 

Like
Like Love Haha Wow Sad Angry

পাঠকের মতামতঃ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here