ব্রেষ্ট ক্যান্সার ও তার প্রতিকার

0
1440
ব্রেষ্ট ক্যান্সার ও তার প্রতিকার

ব্রেষ্ট ক্যান্সার বাংলাদেশে মহামারি রূপ নিয়েছে।আগে ৪০ এর কম বয়সি রুগী বিরল ছিলেন, আর আজ ১৭ বছরের বালিকাও এই রোগের করুণ শিকার হয়।২০-৩০ বছর বয়সের মাঝে আমরা ব্রেষ্ট ক্যান্সারের রুগী অনেক পাই।
কেন বাড়ছে ব্রেষ্ট ক্যান্সার?

By testing tumors, researchers hoped to identify women who could avoid chemotherapy without increasing their risk of a cancer recurrence.

১. সম্ভবত প্রথমেই দায়ী করা যায় জন্মনিয়ন্ত্রণকারী পিল, ইনজেকশন, চামড়ার পিল ইত্যাদি কে। এগুলোর মাঝে থাকে ইষ্ট্রোজেন হরমোন যা ব্রেষ্ট ক্যান্সারের জন্য দায়ী।
২. দেশে পাশ্চাত্যের খাবারের প্রচলন হওয়া… ফাস্টফুড, জাংক ফুড, কোল্ড ড্রিংক, বাইরের ভাজা-পোড়া(এগুলোতে খারাপ চর্বি প্রচুর পরিমাণে থাকে)।
৩. মোটা মহিলাদের সংখ্যা বেড়ে যাওয়া।শরীরের মেদে ইষ্ট্রোজেন হরমোন এসট্রাডিওল নামে লুকিয়ে থাকে এবং সময়মত ছোবল মারে।
৪. বইপত্র অনুযায়ী, মাসিক অল্প বয়সে আরম্ভ হয়ে অনেক বয়স পর্যন্ত চললে, ১ম সন্তান বেশি বয়সে জন্মালে, সন্তান না থাকলেব্রেষ্ট ক্যান্সারের চান্স বেড়ে যায়।।কিন্তু আমাদের দেশের বেশির ভাগ রুগী-ই অনেক ছেলে-মেয়ের মা, অল্প বয়সে বিয়ে ও সন্তান হয়েছে।কাজেই এই থিওরি এখানে মেলেনা।
৫. আমার নিজের মনে হয়, অপুষ্টি আমাদের দেশে ব্রেষ্ট ক্যান্সারের জন্য একটা দায়ী ফ্যাক্টর হলেও হতে পারে।কারণ আমরা মহিলারা সুষম খাবার খুব কম খাই।চিনে একসময় খাদ্যনালীর ক্যান্সার বেশি হওয়ার কারণ ছিল অপুষ্টি।নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিৎ করার পরে সেখানে ক্যান্সারের হার অনেক কমে যায়।
৬. আমি ব্রেষ্ট ক্যান্সারের অসংখ্য রুগী দেখেছি।অভিজ্ঞতার আলোকে আমার মনে হয়, ব্রেষ্ট ক্যান্সারের সাথে কোথায় যেন পান-সুপারী-জর্দার একটা সম্পর্ক আছে।
৭. মা-খালা-নানী-দাদী-ফুপু-কাজিনদের ব্রেষ্ট বা ওভারির ক্যান্সারের ইতিহাস থাকলে রিস্ক একটু বেড়ে যায়।
৮. বিড়ি/সিগারেট খাওয়া
৯. স্ট্রেসফুল লাইফ

Like
Like Love Haha Wow Sad Angry

পাঠকের মতামতঃ