ইচ্ছা থাকিলে উপায় হয়

0
2099

আপনি ওজন কমাইতে চান? সুস্থ্য থাকতে চান?

খুবই সহজ কাজ। সকালে ভোঁরে উঠে হাফ লিটার পানি খাবেন। ব্ল্যাক কফি খাবেন এক কাপ। এরপর শুরু করবেন ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ। ঘরে ডাম্বল কিনে রাখবেন। ইউটিউবে দেখবেন কিভাবে এক্সারসাইজ করে একটু দৌড়াবেন। পানি খাবেন , কাঠ বাদাম খাবেন ৫ টা ,খেজুর খেতে পারেন, রাতে ছোলা ভিজিয়ে রাখতে পারেন, কাচা ছোলা খেতে পারেন। ইসুবগুলি বা এলোভেরা ভিজিয়ে রাখতে পারেন, চিনি দিবেন না , রাতে এক চামচ জিরা পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে গরম করে খেতে পারেন। একটা কমলা বা পেয়ারা খেতে পারেন। একটা সিদ্ধ ডিম খেতে পারেন। ভাত ও খেতে পারেন অথবা রুটি।

পানি রাখবেন সবসময় ব্যাগ এর মধ্যে, মাথায় ক্যাপ পরবেন যেন সূর্যের তাপ না লাগে। মুখে মাস্ক মাস্ট। বাহিরে অনেক ধূলাবালি থাকে। হেটে যাতায়ত করবেন, অথবা সাইকেল চালাবেন। গন্তব্যস্থলে পৌঁছে পানি খাবেন হাফ লিটার। চিনি ছাড়া রঙ চা খাবেন। দুপুরে ভাত খেতে পারেন। খাওয়ার ২০ মিনিট আগে আধা লিটার পানি খাবেন। শাকসবজি, মাছ অথবা, সলিড মুর্গির মাংস দিয়ে। তৈলাক্ত খাবার খাবেন না। ঝোল খাবেন না, ঝোলের পরিবর্তে পাতলা ডাল নিবেন।লবন খাবেন না। বিকালে চিনি ছাড়া রঙ চা খাবেন। হাটার সময় বাদাম খেতে পারেন, বাদামের সাথে লবন খাবেন না।বাসায় ফিরে হাত মুখ ধুয়ে পানি খাবেন। রাতের খাবার ৮ টার মধ্যে সেরে ফেলবেন। অতিরিক্ত খাবেন না। খাওয়ার আগে চিন্তা করবেন পৃথিবীর বহু লোক ক্ষুধার্ত থাকে। তাদের সম্মানার্থে ২ লোকমা কম খাবেন। ইদানীং মানুষ না খেয়ে খুব কম মারা যাচ্ছে বরং অতিরিক্ত খেয়ে মারা যাবার হার অনেক বেশি। আইসক্রিম, কোক, ফুচকা, চটপটি, বার্গার,পিৎজা,গামলা ভর্তি ভাত খাওয়ার আগে চিন্তা করবেন কিছু মানুষ রাত্রি যাপন করে অভুক্ত থেকে। এসব চিন্তা করে মাঝে মাঝে অভুক্ত মানুষদের খাওয়াতে পারেন। তাদের সাথে খাবার শেয়ার করতে পারেন।

পেপারে স্বাস্থ্য বিষয়ক কিছু লেখা থাকে ওগুলা পড়বেন, ফেসবুকে, ব্লগে ও অনেক লেখালেখি পাবেন। গুগলে সার্চ দিবেন, ইউটিউব ও ঘাটতে পারেন। এই গ্রুপে অনেক মানুষ অনেক সুন্দর করে সাজেশান দেয়, যা মোটিভেশনের জন্য যথেষ্ট। রাতে এক কাপ কফি খেয়ে এক্সারসাইজ করবেন। যাদের ঘুমের সমস্যা হয় তাদের কফি খাওয়ার দরকার নাই, রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমাই যাবেন। ঘুম না আসলে হার্ডকপির বই পড়বেন, ম্যাথ করবেন। চোখ বন্ধ করে শুয়ে থাকবেন, চোখের অন্তত রেস্ট হবে! বেশি রাত জাগবেন না।

হোয়াই সো সিরিয়াস!!

লাইফ অল্প কয়দিনের। মাঝে মাঝে চিট ডে পালন করুণ, ইচ্ছা মত খান। আর যতদিন বাঁচেন সুস্বাস্থ্য নিয়ে বাঁচেন, সুন্দর করে বাঁচেন। ফিট থাকুন সব সময়, ৫ মাস পর পর রক্ত দান করুণ।

আমার প্রিয়মানুষগুলা বহুত মোটা। তাদেরকে আমি কিছুই বলতে পারি না। বাট তারা যখন হাটতে পারে না, হাঁটুর ব্যথায় কষ্ট পায়, শ্বাসকষ্টতে ভোগে, রাস্তা ঘাটে মানুষের কথা শুনে তখন অনেক অনেক খারাপ লাগে।
ফিট থাকুন, ভালো থাকুন 🙂

Like
Like Love Haha Wow Sad Angry
11

পাঠকের মতামতঃ